চিরতরুণ থাকতে কে না চায়? কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মেই মানুষ বেশিদিন তার যৌবন ধরে রাখতে পারে না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার শরীর ও মন থেকে দূরে সরে যেতে থাকে যৌবন। শরীরে যখন বার্ধক্য চলে আসে তখন স্বাভাবিকভাবেই মনের বার্ধক্য স্থান করে নেয়। মানুষ তখন শারীরিক এবং মানসিকভাবে বুড়ো হয়ে যায়। কিন্তু এমন ৭ টি খাবারের কথা জেনে রাখুন যেগুলো খেলে আপনি দীর্ঘদিন পর্যন্ত আপনার শরীর ও মনের যৌবন ধরে রাখতে পারবেন। এই খাবারগুলো আপনাকে শরীর ও মনের দিক থেকে ১০ বছর কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

১. কমলা :

দিনে একটিমাত্র কমলা আপনাকে তারুণ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এটি শুধুমাত্র দেগে ভিটামিন সি তৈরি করে দেহকে সতেজ রাখবে না পাশাপাশি ভিটামিন সি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতাও আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে। ফলে আপনি দেহ ও মনে থাকবেন বেশ তরুণ।

২. ব্রোকলি :

দিনে হাফ কাপের মত ব্রোকলি আপনার শরীরের অ্যানার্জীকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং আপনার শারীরিক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে। কেননা একটি ব্রোকলি ২/৩ দিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সরবরাহ করতে সক্ষম। এছাড়া ব্রোকলিতে পুষ্টিকর সালফোরাফেন রয়েছে যেটি লিভারের ডেটক্সিফিকেশনে সহায়তা করে থাকে এবং এতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আপনার দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক করে তোলে। ফলে আপনি দীর্ঘদিন শরীর ও মনে যৌবন ধরে রাখতে পারবেন।

৩. কম ফ্যাটযুক্ত দই :

কম ফ্যাটযুক্ত দই তে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগুণ বিদ্যমান। এতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দাঁতের এনামেল তৈরিতে সহায়তা করে যেটিতে আপনার হাসিকে আরও অনেক বেশি প্রাণোজ্জ্বল করে তুলতে সহায়তা করবে। এছাড়া এই কম ফ্যাটযুক্ত দই খেলে ত্বকের অস্বাভাবিক কুঁচকে যাওয়া রোধে সহায়তা করে থাকে।

৪. গোলমরিচ :

গোলমরিচেএ প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়া সচল রাখে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. বেরি ফল :

সব ধরনের বেরি ফলই দেহের জন্য বেশ পুষ্টিকর যেমন ক্র্যানবেরি, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি। তবে ব্ল্যাকবেরি দেহের জন্য সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর কেননা এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়া বেরি ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের জন্য বেশ কার্যকর।

৬. মিষ্টি আলু :

মিষ্টি আলুতে বিভিন্ন ধরনের উপাদান রয়েছে যা আমাদের দেহের জন্য বেশ কার্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে পাশাপাশি ব্যথানাশক উপাদানও রয়েছে প্রচুর। এর ফলে দেহের বিভিন্ন ব্যথা সংকুচিত হয়। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং ই ত্বকের বিভিন্ন পুষ্টি যুগিয়ে থাকে এবং চুলের সৌন্দর্যও বাড়িয়ে তোলে।

৭. গাজর :

গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে যেটি শুধু ত্বকের নতুন কোষ গজাতে সহায়তাই করে না অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজও করে থাকে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের চামড়ার বয়স কমিয়ে আনতে বেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। এর ফলে আপনার বয়স ১০ বছরের মত কমে আসবে।

Author Name

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.