সাময়িকী.কম
সুস্থতা সকলেরই কাম্য। প্রত্যেক মানুষই চান যতোদিন বেঁচে থাকবেন ততোদিনই যেন সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকতে পারেন। অসুস্থতা শুধুমাত্র দেহকেই দুর্বল করে ফেলে না এটি মানসিক দিকও দুর্বল করে ফেলে। একজন অসুস্থ মানুষ জীবনের আশা হারিয়ে ফেলেন এবং আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই আমাদের যতোটা সম্ভব অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থ থাকার চেষ্টা করে যাওয়া উচিৎ।
আমরা আমাদের নিয়মিত অভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর কাজের মাধ্যমেই নিজেদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারি। ভাবছেন কি করে? নিজেদের কিছু স্বাস্থ্যকর কাজ যা আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় সে কাজগুলো করতে পারলে আমাদের দেহ নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পায়। ফলে আমরা থাকতে পারি সুস্থ। জানতে চান সেই স্বাস্থ্যকর কাজগুলো কি কি? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।

ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে ওঠা

সকালে ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা উচিৎ। এতে করে সকালের আলো দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে এবং বাতাস মস্তিষ্ক ও চোখকে সতেজ রাখে। আবার সকালে মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করলে সহজে কোন পেটের রোগও হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম, হাটাহাটি ও জগিংএর অভ্যাস করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেহ থাকে সুস্থ।

সকালের খাবারের দিকে বিশেষ নজর দিন

সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেহের সুস্থতার জন্য। সকালে ২/৩ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিৎ। খালি পেটে চা/কফি পান করবেন না একেবারেই। ভারী নাস্তার শেষে চা/কফি পান করুন।

খাবার খাওয়ার মাঝে পানি পান একেবারেই উচিৎ নয়

খাবার খাওয়ার মাঝে কখনোই পানি পান করবেন না। খাবার খাওয়ার পূর্বে পানি পান করে নিন। এতে খাবার কম খাবেন যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। খাওয়ার মাঝে পানি পান করলে পরিপাকক্রিয়াতে বাঁধা আসে এবং হজমে সমস্যা হয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।

দুপুর ১ টার আগে দুপুরের খাবার এবং রাত ৮ টার আগে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন

দুপুরে খাবার সময় ১ টা এবং রাতে খাবার সময় ৮ টার আগে হওয়া উচিৎ। কারণ দুপুরে দেরি করে খেলে আপনার খাওয়া বেশি হবে ফলে আপনার ওজন বাড়বে এবং বেশি রাতে খাবার খেলে খাবার ঠিকমত হজম হওয়ার সময় পাওয়া যায় না যা আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে দেবে। রাতে খাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিৎ।

অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং কড়া রোদ থেকে এসে সাথে সাথে পানি পান করবেন না

আমরা সাধারণত অনেক কাজ করে হাপিয়ে উঠলে, পরিশ্রম করে তেষ্টা পেলে, কড়া রোদ থেকে উঠে এসেই প্রথমে পানি পান করি। কিন্তু এই অভ্যাসটি আমাদের দেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এতে আমাদের দেহ হুট করে নিজের অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে পাড়ে না যার ফলে দেহের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং কড়া রোদ থেকে এসে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে পানি পান করা ভালো।

রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস গরম দুধ পান করুন

রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে অবশ্যই নিয়মিত ১ গ্লাস গরম দুধ পান কড়া জরুরী। এতে ঘুম ভালো হবে এবং ঘুম সংক্রান্ত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এবং এতে করে দেহের পরিপাকতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়বে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

Author Name

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.